শিরোনামঃ
অনলাইন ডেস্ক ২৮-০৫-২০২৩ ০৬:৪১ অপরাহ্ন |
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলায় খর্গপুর গ্রামে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ পাঁচজনের মধ্যে গৃহবধূ রহিমা বেগমের (৩৫) মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (২৮ মে) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় দগ্ধ বাবা ও দুই মেয়ে এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
গৃহবধূ রহিমা বেগম উপজেলার খর্গপুর গ্রামের কৃষক কামরুল হোসেনের স্ত্রী। তিনি দুই মেয়ে ও এক পুত্রসন্তানের মা ছিলেন। একই গ্রামের একটি আধা পাকা বাড়িতে স্বামী ও ছেলেমেয়ে নিয়ে তিনি বসবাস করতেন।
রহিমার দেবর মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, মঙ্গলবার (২৩ মে) রাত পৌনে ৯টায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে তাঁর চাচাতো ভাই কৃষক কামরুল হোসেন, তাঁর (কামরুল) স্ত্রী রহিমা বেগম, রহিমার দুই মেয়ে ফাহিমা আক্তার (২০) ও ফারিহা আক্তার (১২) দগ্ধ হন। ওই দিন পরিবারের লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করান। সবচেয়ে বেশি দগ্ধ হয়েছিলেন রহিমা বেগম। তাঁর শরীরের ৫৮ শতাংশ পুড়ে যায়। রবিবার (২৮ মে) সকাল ১০টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। রবিবার (২৮ মে) বিকেলে তাঁর লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে। দগ্ধ তাঁর ভাই কামরুল হোসেন ও তাঁর দুই মেয়ে এখনো ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁদের অবস্থা উন্নতির দিকে।
স্বজন, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৩ মে) রহিমা বেগম বসতঘরের রান্নাঘরে গ্যাস সিলিন্ডারের চুলায় খাবার গরম করছিলেন। রান্নাঘরের তাপে আচমকা বিকট শব্দে গ্যাস সিলিন্ডারটি বিস্ফোরিত হলে সেখানে আগুন ধরে যায়। মুহূর্তে আগুন ছড়িয়ে বসতঘরটি পুড়ে যায়। এ সময় রহিমা বেগম, তাঁর স্বামী কামরুল হোসেন ও তাঁদের দুই মেয়ে দগ্ধ হন। পাশের ঘর থেকে আগুন নেভাতে এসে দগ্ধ হন রহিমার ভাতিজা মো. সজিবও (১৯)। দগ্ধ ওই পাঁচজনকে স্বজনেরা প্রথমে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখান থেকে সজিব বাদে চারজনকে চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তাঁদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। অল্প দগ্ধ হওয়ায় সজিবকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ঠিকানা : চাঁদপুর বুলেটিন, সম্পাদকীয় কার্যালয়: পৌর মার্কেট (দ্বিতীয় তলা), হাজী মহসিন রোড, নতুন বাজার, চাঁদপুর সদর, চাঁদপুর (পূবালী ব্যাংকের সামনে)।
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : chandpurbulletin@gmail.com
সম্পাদক ও প্রকাশক: আলআমিন ভূঁইয়া