শিরোনামঃ
মো. আজিজুর রহমান ০৩-০২-২০২৪ ০৯:২০ অপরাহ্ন |
শাহরাস্তি উপজেলা ভূমি অফিসের অনাবাদি জমিতে গড়ে উঠা সবজি ও বিভিন্ন ফুলের সমারোহ নান্দনিক শোভা ছড়াচ্ছে। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেজওয়ানা চৌধুরীর নিজ হাতে গড়া বাগানে উৎপাদিত সবজিতে এ কার্যালয়ের অনেকের দৈনন্দিন চাহিদা মিটছে।
জানা যায়, শাহরাস্তি উপজেলার সাহাপুর এলাকায় অবস্থিত সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কার্যালয় সৌন্দর্য বর্ধনের অংশ হিসেবে মূল ফটক থেকে শুরু করে ভবনের আশপাশে লাগানো হয়েছে বিভিন্ন ফুলের গাছ। সেবা নিতে আসা লোকজন এখানে এসেই নিজেকে মুঠোফোনের ফ্রেমে আটকান। ভবনের ছাদ, সামনে ও আসপাশের দৃষ্টিনন্দিত পরিবেশে একটি সেলফি তোলা যেন এখানে আগত দের কাজের অংশ হয়ে গেছে।
পুকুর পাড় ও কার্যালয়ের আঙ্গিনায় খালি পড়ে থাকা জমিতে বেড়ে উঠছে লাল শাক, পালং শাক, সরিষা, লাউ, কুমড়ো, মুলা, বেগুন, ফুল কপি, বাঁধা কপি, পেঁপে, কয়েক জাতের মরিচসহ বিভিন্ন প্রজাতির সবজি গাছ।
এ কার্যালয়ে সেবা নিতে আসা মোঃ সাইফুল করিম জানান, এটি যেন একটি খামার বাড়ি! শাক সবজি ও ফুলে ভরে উঠেছে চারপাশ। যে কেউ এখানে আসলেই যেন মনপ্রাণ ভরে উঠে। কাজে আসা লোকজন নিজের কাজ সারার আগেই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে মুখরিত হয়ে উঠেন। নিজের ক্লান্তি কিছুটা দূর করে প্রয়োজনীয় কাজ সেরে বাড়ি ফিরেন। একটি প্রশাসনিক কার্যালয়ের আঙ্গিনা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে কতটা দৃষ্টি নন্দন হয়ে উঠতে পারে তা স্বচক্ষে না দেখলে বিশ্বাস করা সম্ভব নয়।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নিজ হাতে বাগানের পরিচর্যা করছেন সহকারী কমিশনার। কাজের ফাঁকে একটু ফুসরৎ পেলেই তিনি এভাবে বাগানে ছুটে যান বলে জানিয়েছেন ভূমি অফিসে কর্মরতরা।
এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেজওয়ানা চৌধুরী জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন ছিল এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদি থাকবে না। এই অনুশাসনকে নিয়েই আমি আমার এ প্রজেক্টটি শুরু করি।
উপজেলা ভূমি অফিসে যে অনাবাদি জমি ছিলো সেটা কাজে লাগিয়ে আমি এ বাগান গড়ে তুলেছি। এছাড়াও পুকুরটিতে মাছের পোনা ছাড়া হয়েছে। এসমস্ত শাকসবজি ও ফলমূল আমাদের অফিসে কর্মকর্তাদের দুপুরের খাবারে চাহিদা মেটানো হয়। এবং আগত সেবাগ্রহীতার ও পছন্দমত নিয়ে যায়।
ঠিকানা : চাঁদপুর বুলেটিন, সম্পাদকীয় কার্যালয়: পৌর মার্কেট (দ্বিতীয় তলা), হাজী মহসিন রোড, নতুন বাজার, চাঁদপুর সদর, চাঁদপুর (পূবালী ব্যাংকের সামনে)।
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : chandpurbulletin@gmail.com
সম্পাদক ও প্রকাশক: আলআমিন ভূঁইয়া