শিরোনামঃ
নিউজ এডিটর ২৬-০২-২০২৪ ১০:২২ অপরাহ্ন |
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনের কয়েকটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লাইসেন্স নবায়ন হয়নি। এখানকার অনুমোদিত প্রায় ডায়াগনস্টিক সেন্টারেরই লাইসেন্স এখন মেয়াদোত্তীর্ণ। যেসব প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন আছে, সেগুলোর লাইসেন্স মেয়াদোত্তীর্ণ তো আছেই, আবার অনেক ডায়াগনস্টিক সেন্টার লাইসেন্স ছাড়াই বছরের পর বছর ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।
ফলে দালালের খপ্পরে পড়ে দিনের পর দিন প্রতারিত হচ্ছে অসহায় মানুষ। আর লাভবান হচ্ছেন কতিপয় দালাল ও অসাধু ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিকরা। মূলত এই ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে একশ্রেণীর দালাল। দালালদের মাধ্যমে ভাগিয়ে আনা হয় রোগী। বিভিন্ন রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নাম দিয়ে সাইনবোর্ড টাঙানো থাকলেও নিয়মিত রোগী দেখতে বসেন না তারা। অনুমোদনহীন এসব ডায়াগনস্টিক সেন্টার গুলোতে চিকিৎসার নামে ব্যবসা, প্রতারণা, রোগী ভোগান্তির অভিযোগ উঠছে হরহামেশাই।
ফরিদগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার অধিকাংশ রোগী অনেকটা নির্ভরশীল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওপর। কিন্তু স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক্স-রে মেশিন, অপারেশন থিয়েটার, শক্তিশালী জেনারেটর অকেজো হয়ে পড়ে আছে দীর্ঘ সময়। আর এই সুযোগে ডায়াগনস্টিক সেন্টার গুলোয় চলছে অপচিকিৎসা।
বেসরকারি এসব প্রতিষ্ঠানে অহরহ অপচিকিৎসার অভিযোগ উঠছে। বেশিরভাগ ডায়াগনস্টিক সেন্টার নেই সুচিকিৎসার পরিবেশ। অনেকেই কোনোমতে ভবন ভাড়া নিয়ে ঘিঞ্জি পরিবেশে চালিয়ে যাচ্ছে ব্যবসা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় এক্স-রে ও আলট্রাসনোগ্রাফি মেশিন আছে নেই টেকনিশিয়ান! তবুও হয় এক্স-রে ও আলট্রাসনোগ্রাফি। প্রতিনিয়ত যে সকল মেডিক্যাল বর্জ্য উৎপন্ন হয় তা স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে সঠিকভাবে সংরক্ষন ও অপসারন না করে নিজেরাই মাটিতে গর্ত করে পুড়িয়ে ফেলেন বলে দাবি।
একই সাথে দালালের খপ্পরে পড়ে দিনের পর দিন প্রতারিত হচ্ছে অসহায় মানুষ। আর লাভবান হচ্ছেন কতিপয় দালাল ও অসাধু ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিকরা। মূলত এই ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে একশ্রেণীর দালাল। দালালদের মাধ্যমে ভাগিয়ে আনা হয় রোগী। বিভিন্ন রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নাম দিয়ে সাইনবোর্ড টাঙানো থাকলেও নিয়মিত রোগী দেখতে বসেন না তারা।
অনুমোদনহীন এসব ডায়াগনস্টিক সেন্টার গুলোতে চিকিৎসার নামে ব্যবসা, প্রতারণা, রোগী ভোগান্তির অভিযোগ উঠছে হরহামেশাই।
এছাড়া সরকারি বিধিমালায় নিয়ম আছে-সরকারি হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৫০০ গজের ভিতর ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার করা যাবে না। কিন্তু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর সামনেই রয়েছে একাধিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার।
এশিয়ান ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক সুজন কাগজপত্র মেয়াদহীন এভাবে পরিচালনা করতে পারেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের লাইন্সেসের মেয়াদ শেষ হয়েছে অনেক আগে এখন আবেদন করবো। আর আপনারা যা খুশি লেখতে পারেন সমস্যা নাই।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আলী আশরাফ চৌধুরী বলেন, যাদের নবায়নকৃত কাগজপত্র নেই তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাদেশ প্রাইভেট ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক ওনার্স এসোসিয়েশন চাঁদপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক জি এম শাহীন বলেন, অবৈধ হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করার জন্য সিভিল সার্জনের কাছে জোর দাবি জানিয়ে আসতেছি ।
চিকিৎসা সেবা প্রত্যাশীদের দাবি লাইসেন্স নবায়ন না থাকা ও চিকিৎসাসেবার যথাযথ পরিবেশ না থাকার বিষয়ে ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোয় স্বাস্থ্য বিভাগের কোনো তদারকি।
ঠিকানা : চাঁদপুর বুলেটিন, সম্পাদকীয় কার্যালয়: পৌর মার্কেট (দ্বিতীয় তলা), হাজী মহসিন রোড, নতুন বাজার, চাঁদপুর সদর, চাঁদপুর (পূবালী ব্যাংকের সামনে)।
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : chandpurbulletin@gmail.com
সম্পাদক ও প্রকাশক: আলআমিন ভূঁইয়া