কচুয়ায় কালবৈশাখীর তান্ডবে মসজিদ খামারসহ অর্ধশত ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত
০২ জুন, ২০২৬ ০২:০৮ অপরাহ্ন

  

কচুয়ায় কালবৈশাখীর তান্ডবে মসজিদ খামারসহ অর্ধশত ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত

চাঁদপুর বুলেটিন ডেস্ক
২৫-০৩-২০২৪ ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন
কচুয়ায় কালবৈশাখীর তান্ডবে মসজিদ খামারসহ অর্ধশত ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার দুটি ইউনিয়নের উপর হঠাৎ তান্ডব বইয়ে দিয়েছে কালবৈশাখীর ঝড়। মুহূর্তেই লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে মসজিদ, মুরগির খামারসহ অর্ধ শতাধিক ঘরবাড়ি । এসময় গাছপালা ও ফসলেরও ব্যাপক পরিমাণে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

রবিবার সন্ধ্যায় ৭টার দিকে উপজেলার সদর দক্ষিণ ইউনিয়ন ও ৬ন নং কচুয়া উত্তর ইউনিয়নে এ ঝড় বইয়ে যায়।

ঝড়ে লন্ডভন্ড হয়েছে কয়েকশ ঘরবাড়ি। শিলাবৃষ্টির আঘাতে ঝাঁজড়া হয়ে গেছে টিনের চালা। গাছপালা ভেঙে পড়ায় বিস্তীর্ণ এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

কালবৈশাখীর তান্ডব শুরু হলে উপজেলাজুড়ে আতঙ্ক দেখা দেয়।

সরেজমিনে জানা গেছে সন্ধ্যায় হঠাৎ এ ঝড়ের তাণ্ডবে উপজেলার কচুয়া উত্তর ইউনিয়নের লতিফপুর,নোয়াগাঁও,তেতৈয়া,সিংড্ডা, খিড্ডা,কাদলা ইউনিয়নের মনপুরা, সদর দক্ষিন ইউনিয়ন ধলি কচুয়াসহ উপজেলার অন্যান্য গ্রামে ঝড় ও শিলার আঘাতে প্রায় অর্ধশত ঘরবাড়ির টিনের চালে বড় বড় ছিদ্র হয়ে যায়। টিনের তৈরি মসজিদ,মুরগির খামারসহ অনেকের কাঁচা ঘরবাড়ি ভেঙে টিনের চালা উড়ে যায়। এসময় ভুট্টা ও ধানক্ষেতেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়। সড়ক-ঘরবাড়ির ওপর গাছপালা ভেঙে পড়েছে।

লতিফপুর গ্রামের আমির হোসেন বলেন, গত রাতে হঠাৎ করে কালবৈশাখী ঝড় এসে এ গ্রাম লণ্ডভণ্ড করে দিয়ে গেছে। অনেকেরই ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। তারা খোলা আকাশের নীচে বসবাস করছে। শুধু তাই নয় ফল ও ফসলেরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

অসহায় দরিদ্র বিধবা জিলহজ বেগম বলেন, হঠাৎ পশ্চিম দিক থেকে শোঁ শোঁ শব্দ করে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই আমার একমাত্র বসত ঘর বাড়ি উড়িয়ে নিয়ে যায়। আমার স্বামী ও কোনো ছেলে সন্তান নেই, আল্লাহ ছাড়া আমার আর কেউ নেই। ভিক্ষা করে রাস্তার পাশে ছোট ঘরটা করেছি,কালবৈশাখী ঝড়ে আমার সব কিছু নিয়ে যায়। বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছি।

একই উপজেলার তেতৈয়া গ্রামের সোহরাব হোসেন বলেন, রাতে কোনো কিছু বোঝার আগেই হঠাৎ বিকট শব্দ হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই থেমে যায়। ঘর থেকে বাইরে বেরিয়ে দেখি আমার পোল্ট্রি র্ফামের ঘর ভেঙ্গে পুকুরে পরে অনেক মুরগী মারা যায় । এতে আমার প্রায় ৪ লক্ষ টাকা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ইউপি সদস্য ইউনুছ মিয়া জানান, ইফতার শেষে হঠাৎ কালবৈশাখীর লতিফপুর টিনের মসজিদ উড়িয়ে নিয়ে যায়।

কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইকবাল হাসান বলেন, হঠাৎ করে কালবৈশাখীর ঝড়ে বেশ কিছু জায়গায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ইউপি সদস্যরা তালিকা দিতে বলা হয়েছে। তালিকা দিলে সরকারের বরাদ্দ থেকে সহযোগিতা করা হবে।


চাঁদপুর বুলেটিন ডেস্ক ২৫-০৩-২০২৪ ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে
এবং 120 বার দেখা হয়েছে।

পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
Loading...
  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ প্রকাশিত

  ঠিকানা :   চাঁদপুর বুলেটিন, সম্পাদকীয় কার্যালয়: পৌর মার্কেট (দ্বিতীয় তলা), হাজী মহসিন রোড, নতুন বাজার, চাঁদপুর সদর, চাঁদপুর (পূবালী ব্যাংকের সামনে)।
  মোবাইল :   ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
  ইমেল :   chandpurbulletin@gmail.com

সম্পাদক ও প্রকাশক: আলআমিন ভূঁইয়া