শিরোনামঃ
আলআমিন ভূঁইয়া ২৮-০৫-২০২৪ ০৬:০৮ অপরাহ্ন |
ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে চাঁদপুর শহররক্ষা বাঁধের ধস দেখা দিয়েছে। শহরের পুরান বাজার হরিসভা মন্দির ও বাকালি পট্টি এলাকাসহ শহররক্ষা বাঁধের ৮টি স্থানে অন্তত ১৬৫ মিটার সিসি ব্লক ধস নেমে মেঘনা নদীতে দেবে গেছে।
সোমবার (২৭ মে) দিনভর টানা বৃষ্টিপাত ও মেঘনার উত্তাল ঢেউ বিকেলে বাঁধে ভাঙন ধরে। তাৎক্ষণিকভাবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের লোকজনকে বালিভর্তি জিও টেক্সটাইল ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধে কাজ শুরু করে।
ওই দিন দুপুরের পর থেকে ঢেউয়ের তীব্রতা বাড়তে থাকে। পাশাপাশি টানা বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ায় কয়েক ফুট উঁচু ঢেউ আছড়ে পড়তে থাকে তীরে। পানি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেলে ভাঙন আতঙ্কে নদী তীরের অনেক লোকজন নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছে। এখনো স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ক্ষতিগ্রস্তরা জানান, ‘বর্ষা এলে প্রতি বছর নদীতে ভাঙন দেখা দেয়। এরই মধ্যে অনেকেই বসতভিটা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। ভাঙন দেখা দিলে কর্মকর্তারা আসেন নদীতে বালুর বস্তা ফেলতে। আমরা স্থায়ী সমাধান চাই। যে পরিস্থিতি রাতে আমাদের বাড়িঘর টিকে কিনা আমরা খুব শঙ্কিত।’
মঙ্গলবার (২৮ মে) দেখা যায়, ভাঙন স্থানে শ্রমিকেরা জিও টেক্সটাইল ব্যাগ ফেলা অব্যাহত রেখেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা কাজের তদারকি করছেন।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘শহররক্ষা বাঁধের পুরান বাজার এলাকায় ৮টি স্থানে প্রায় ১৬৫ মিটার সিসি ব্লক ধস নেমে নদীতে তলিয়ে গেছে। ভাঙন প্রতিরোধে আমাদের কাজ চলছে। এই কাজ অব্যাহত থাকবে।’
চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান বলেন, ‘পুরান বাজার শহররক্ষা বাঁধে ভাঙনের খবর পেয়েছি। এরই মধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের লোকজন ভাঙন রোধে কাজ শুরু করেছে। ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আশা করি বড় ধরনের কোনো সমস্যা হবে না।’
ঠিকানা : চাঁদপুর বুলেটিন, সম্পাদকীয় কার্যালয়: পৌর মার্কেট (দ্বিতীয় তলা), হাজী মহসিন রোড, নতুন বাজার, চাঁদপুর সদর, চাঁদপুর (পূবালী ব্যাংকের সামনে)।
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : chandpurbulletin@gmail.com
সম্পাদক ও প্রকাশক: আলআমিন ভূঁইয়া