শিরোনামঃ
গাজী মমিন, নিজস্ব প্রতিনিধি, ফরিদ্গঞ্জ ২১-১০-২০২৪ ০২:১৮ অপরাহ্ন |
এক মাস, দুই মাস নয়, মাসের পর মান রোগীদের সেবা না দিয়েই বেতনসহ সরকারি সব সুবিধা ভোগ করছেন ফরিদগঞ্জ উপজেলা ৮ নং পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের ইনচার্জ উপসহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার (স্যাকমো) মো. নুর হোসেন। কর্মব্যস্থতা ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ডিউট করেন, এমন অজুহাতে এখানে এসে রোগী দেখেন না। এমনকি হাজিরা বইতে নেই স্বাক্ষর। ২০২৩ সালে যোগদানের পর থেকে এ পর্যন্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মাসে ৩/৪ দিন অফিস করেলেও সর্বশেষ গত ১ আগস্ট থেকে একদিনের জন্যও অফিসে আসেননি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপসহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার নুর হোসেন এর দরজা বন্ধ এবং স্বাস্থ্য কেন্দ্র প্রতিটি কক্ষে ধূলাবালি ও ময়লা আবর্জনা ভরপুর। দেখলে মনে হবে এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তিন থেকে চার বছর ডাক্তারের চেম্বারে কেউ প্রবেশ করছে না।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে ডাক্তার এর জন্য অপেক্ষারত রোগীরা জানান, গত ১লা আগস্টের পর থেকে ডাক্তারের দেখা পায়নি। অবসর প্রাপ্ত একজন পিয়ন মিজান প্রাথমিক কিছু চিকিৎসার ঔষধ প্রদান করেন।
পিয়ন মিজানুর রহমান জানান, ডাক্তার দুই তিন মাস আসে না। রোগি আসলে বলতে হয় কাল আসবে। রোগীদের সাথে এমন করতেও এখন আর ভালো লাগেনা।
স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফারুক আহমেদ মিয়াজি বলেন গত ৩ মাসেও ডাক্তার দেখা যায়নি। প্রতিদিনই রোগীরা এসে ভিড় করে। আমাদের দু-তিনটা ইউনিয়ন মিলে এই একটি মাত্র উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র। আমাদের ইউনিয়ন ব্যতীত অন্যান্য ইউনিয়ন থেকে স্বাস্থ্য সেবার জন্য প্রতিদিনই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী আসেন, কিন্তু ডাক্তারের দেখা মিলে না ।
উপসহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার নুর হোসেনকে উপজেলা সদরে পেয়ে তার বক্তব্য নিতে চাইলে তিনি বলেন, আমি বক্তব্য দেবনা।
ফরিদগঞ্জ স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান জুয়েল বলেন, ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক অনুপস্থিতির বিষয়ে জানতে পেরেছি। তার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ঠিকানা : চাঁদপুর বুলেটিন, সম্পাদকীয় কার্যালয়: পৌর মার্কেট (দ্বিতীয় তলা), হাজী মহসিন রোড, নতুন বাজার, চাঁদপুর সদর, চাঁদপুর (পূবালী ব্যাংকের সামনে)।
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : chandpurbulletin@gmail.com
সম্পাদক ও প্রকাশক: আলআমিন ভূঁইয়া