শিরোনামঃ
কাউসার খান, বিশেষ প্রতিনিধি ২১-০৩-২০২৫ ০১:২০ অপরাহ্ন |
শুক্রবার (২১ মার্চ) সরেজমিনে দেখা যায়, চাঁদপুর শহরের চৌধুরীঘাটে দক্ষিণাঞ্চল থেকে প্রতিদিন ১০-১৫টি বাল্কহেডে করে নিয়ে আসা হচ্ছে তরমুজ। আর সেই তরমুজ চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলার মানুষের চাহিদা মেটাচ্ছে। তরমুজের সরবরাহ বাড়ায় কর্মব্যস্ততা বেড়েছে ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের।
প্রতিটি নৌযানে পাঁচ হাজার থেকে ১০ হাজার তরমুজ আসে। পাইকাররা এখান থেকে তরমুজ কিনে চাঁদপুরের উপজেলাগুলোসহ বিভিন্ন জেলায় ট্রাক ও অন্যান্য যানবাহনে সরবরাহ করে। ভোলা, পটুয়াখালী ও বরিশাল থেকে চাঁদপুরে বেশি তরমুজ আসে বলে জানান তরমুজ ব্যবসায়ীরা।
রুবেল নামের এক তরমুজ ব্যবসায়ী বলেন, বাজারে ভালো মান ও আকারের কোনো তরমুজের দাম ২০০ টাকার নিচে নেই। সব মিলিয়ে লাভ-লোকসানের মাঝেই তরমুজের বিক্রি ভালো হচ্ছে। তরমুজ যত আসবে তত দাম কমবে বলে জানান তিনি। বাজারের অবস্থা ভালো জানিয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আড়তদার জানান, দুই সপ্তাহের মতো হলো বাজারে তরমুজ আসছে। বর্তমানে বাজারে ক্রেতা ভালোই রয়েছে, দামও ভালো।
অপরদিকে জেলার হাজীগঞ্জ পূর্ব বাজারে এখন পাইকার আর আড়তদারের মিলনমেলা লক্ষ করা গেছে। কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম অঞ্চল থেকে ছুটে আসা পাইকাররা ট্রাক বোঝাই করে আবার সেই তরমুজ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নিয়ে যাচ্ছেন। তাদের সঙ্গে পাল্লা দিতে গিয়ে হাজীগঞ্জের পাইকাররা বেশি দামে তরমুজ ক্রয় করে তা উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে ফালি হিসাবে ৩০০ টাকা থেকে শুরু করে পাঁচ-ছয়শ টাকায় পর্যন্ত বিক্রি করে আসছে।
এখানকার কয়েকজন আড়তদার ব্যাপারী ও পাইকারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রসালো এই মৌসুমি ফল তরমুজ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, খুলনা, বরগুনা ও পাথরঘাটা এলাকা থেকে স্থানীয় চাষিদের কাছ থেকে ট্রলারযোগে ব্যাপারীরা নিয়ে আসে হাজীগঞ্জে।
এখান থেকে আবার দেশের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চল, কুমিল্লা, হবিগঞ্জ, সিলেট, ফেনী, চিটাগংসহ প্রায় ৩০-৩৫ জেলার পাইকাররা ট্রাকে করে তরমুজ নিয়ে যায় বিক্রির উদ্দেশ্যে।
ঠিকানা : চাঁদপুর বুলেটিন, সম্পাদকীয় কার্যালয়: পৌর মার্কেট (দ্বিতীয় তলা), হাজী মহসিন রোড, নতুন বাজার, চাঁদপুর সদর, চাঁদপুর (পূবালী ব্যাংকের সামনে)।
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : chandpurbulletin@gmail.com
সম্পাদক ও প্রকাশক: আলআমিন ভূঁইয়া