কচুয়ায় লাম্পি স্কিন রোগে ২ শতাধিক গরুর মৃত্যু; খামারিদের উদ্বেগ
৩০ জুন, ২০২৬ ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন

  

কচুয়ায় লাম্পি স্কিন রোগে ২ শতাধিক গরুর মৃত্যু; খামারিদের উদ্বেগ

কাউসার খান, বিশেষ প্রতিনিধি
০৯-০৪-২০২৫ ০৬:১৯ অপরাহ্ন
কচুয়ায় লাম্পি স্কিন রোগে ২ শতাধিক গরুর মৃত্যু; খামারিদের উদ্বেগ
চাঁদপুরের কচুয়ায় লাম্পি স্কিন রোগে ২ শতাধিক গরু মারা গেছে। এ ছাড়াও আক্রান্ত হয়েছে আরও কয়েক হাজার। এ রোগে মৃতের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলার কৃষক ও খামারিরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। ফলে উপজেলার পশুর হাটগুলোতে গরু বেচাকেনায় ব্যাপক প্রভাব পড়েছে।

কচুয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর থেকে জানা গেছে, উপজেলায় মোট গরুর সংখ্যা ৫৮ হাজার ৩১২টি,১৭০ টি দুগ্ধ খামার ও গরু মোটাতাজাকরণ ১২৬টির মতো উপজেলায় ১২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা রয়েছে। সব ইউনিয়ন থেকেই লাম্পি স্কিন রোগে গরু মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ রোগে বেশির ভাগই বাছুর আক্রান্ত হয়ে মারা যায়।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ সাওকাত হোসেন সুমন জানান, লাম্পি স্কিন ডিজিজ একটি ভাইরাসজনিত রোগ। ২০১৯ সালে বাংলাদেশে প্রথম এ রোগ দেখা দেয়। এ রোগ সাধারণত মশা ও মাছির মাধ্যমে ছড়ায়। এ রোগের কোনো ভ্যাকসিন না থাকায় বা সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা ব্যবস্থা নেই বলে সুস্থ হতে সময় লাগে। মশা ও মাছি নিয়ন্ত্রণ করার মাধ্যমে রোগের প্রাদুর্ভাব কমানো সম্ভব। যার জন্য ব্যাপক জনসচেতনতা দরকার। কচুয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল এ ব্যাপারে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে।

তিনি আরো বলেন, প্রাদুর্ভাব কমাতে সুস্থ অবস্থায় এ রোগের ভ্যাকসিন প্রয়োগ করতে হবে। দুঃখের বিষয় কচুয়ায় রোগটিতে অনেক প্রাণী আক্রান্ত হচ্ছে। প্রতিদিনে ২০ থেকে ৩০ টার মতো চিকিৎসা দিচ্ছে, এ কয়েকমাসে শতাধিকের উপর লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত হয়ে গরু মারা যায়। প্রাথমিক অবস্থায় শরীরের কোনো কোনো স্থান ফুলে ওঠে এবং গোটা গোটা দেখা গেলে এ অবস্থায় অ্যান্টিবায়োটিক ও ব্যথানাশক ব্যবহার করা উচিত না। যদি সেকেন্ডারি ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন হয়, তখন চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা যেতে পারে।

উজানী গ্রামের প্রবাস ফেরত মিজানুর রহমান জানান, আমি ২৪ বছর দীর্ঘজীবন প্রবাসে থেকে দেশে এসে ৪টি গরু কিনে খামার করেছি এর মধ্যে ১ টি গরু ভাইরাস রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়।

আরেক খামারী মির্জা সুরুজ মাস্টার জানান আমার দুটো গরু ভাইরাস রোগে আক্রান্ত হলে আমি উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার কাছে চিকিৎসা অনুযায়ী ঔষধ সেবন করাই। এর মধ্যে একটি বাচুর গরু মারা যায় একটি সুস্থ হয়ে যায়।


কাউসার খান, বিশেষ প্রতিনিধি ০৯-০৪-২০২৫ ০৬:১৯ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে
এবং 140 বার দেখা হয়েছে।

পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
Loading...
  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ প্রকাশিত

  ঠিকানা :   চাঁদপুর বুলেটিন, সম্পাদকীয় কার্যালয়: পৌর মার্কেট (দ্বিতীয় তলা), হাজী মহসিন রোড, নতুন বাজার, চাঁদপুর সদর, চাঁদপুর (পূবালী ব্যাংকের সামনে)।
  মোবাইল :   ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
  ইমেল :   chandpurbulletin@gmail.com

সম্পাদক ও প্রকাশক: আলআমিন ভূঁইয়া