অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ব্যাংকিং ও রাজস্ব বিষয়ক সম্পাদক এবং সাবেক সংসদ সদস্য লায়ন মো. হারুনুর রশিদ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “যুবসমাজকে মাদক, সন্ত্রাস ও সকল প্রকার সামাজিক অপরাধ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। একটি সুস্থ, মেধাবী ও দেশপ্রেমিক প্রজন্ম গড়ে তুলতে নিয়মিত এমন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা প্রয়োজন।” তিনি আরও বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি গোল্ডকাপ আয়োজনের মধ্য দিয়ে আয়োজকরা প্রশংসনীয় উদ্যোগ নিয়েছেন। তরুণদের বিপথগামিতা থেকে ফেরাতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলে আমি বিশ্বাস করি।”
রূপসা জমিদার পরিবারের সদস্য সৈয়দ মেহেদী হাসান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় মৎস্যজীবী দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি সংসদ কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক নাদিম চৌধুরী। তিনি বলেন, “খেলাধুলার মাধ্যমেই আমরা তরুণ সমাজকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে চাই। দেশব্যাপী ক্রীড়াসহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধ করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছি আমরা।”
কেন্দ্রীয় মৎস্যজীবী দলের মুখপাত্র মেঘলা আলম তাঁর বক্তব্যে বলেন, “যুবসমাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে খেলাধুলা একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। এ ধরনের আয়োজন সমাজে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধকে আরও জোরালো করে।”
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির সভাপতি আলমগীর হোসেন আলম মোল্লা ও প্রধান পৃষ্ঠপোষক আবদুল আজিজ। তাঁরা টুর্নামেন্টটি সফল করতে আর্থিক ও কায়িক পরিশ্রম দিয়ে সহযোগিতাকারী সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
ফাইনাল খেলা শেষে প্রধান অতিথিসহ আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ বিজয়ী ও বিজিত দলের খেলোয়াড়দের হাতে আকর্ষণীয় ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেন। এ সময় হাজারো ফুটবলপ্রেমী দর্শক মাঠজুড়ে উল্লাস প্রকাশ করেন।
চাঁদপুর বুলেটিন ডেস্ক