শিরোনামঃ
কাউসার খান, বিশেষ প্রতিনিধি ৩০-০৭-২০২৬ ০৬:৪৩ অপরাহ্ন |
স্থানীয়রা জানান, সেতুর পাটাতনের একাধিক অংশ ভেঙে যাওয়ায় অটোরিকশাসহ ছোট যানবাহনও আর চলাচল করতে পারছে না। সামান্য ভারী যানবাহন উঠলেই পুরো সেতু কেঁপে ওঠে। প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শিক্ষার্থী, কর্মজীবী ও সাধারণ মানুষকে এ সেতু পার হতে হচ্ছে। বিকল্প হিসেবে কাঠের সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হলেও অজ্ঞাত কারণে সেই কাজও মাঝপথে বন্ধ হয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. জসিম উদ্দিন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি অবহেলিত। দিন-রাত ঝুঁকি নিয়েই মানুষকে পারাপার হতে হচ্ছে। মোটরসাইকেল চলাচলের সময়ও সেতু কেঁপে ওঠে। সরকার দ্রুত নতুন সেতু নির্মাণ করলে দুই পাড়ের মানুষের দুর্ভোগ কমবে।
আরেক বাসিন্দা আব্দুল কাদির বলেন, সেতুর বর্তমান অবস্থা এতটাই নাজুক যে মানুষ হেঁটেও পার হতে ভয় পায়। নতুন সেতুর কাজ শুরু হলেও পরে তা বন্ধ হয়ে যায়। দ্রুত নির্মাণকাজ শুরুর দাবি জানান তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. আল-আমিন বলেন, গত পাঁচ-ছয় বছর ধরে সেতুর বিভিন্ন অংশ ভাঙতে শুরু করেছে। কয়েক মাস আগে নির্মাণকাজের প্রস্তুতি দেখা গেলেও পরে আর কোনো অগ্রগতি হয়নি।
গাড়িচালক মো. সুজন বলেন, প্রতিবার সেতু পার হওয়ার সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। নতুন সেতু নির্মাণ হলে নিরাপদে যাত্রী পরিবহন করা সম্ভব হবে।
ফরিদগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবরার আহাম্মদ বলেন, সেতুর বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। নতুন সেতুর টেন্ডার ও ঠিকাদার নিয়োগের কাজ শেষ হয়েছে। তবে নদীতে পানির উচ্চতা ৩৫ থেকে ৪০ ফুট থাকায় পুরোনো সেতু অপসারণ ও নির্মাণকাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। পানি কমে এলে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে। আপাতত সেতু দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ রেখে শুধু পথচারীদের চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের অধীনে ৬৪ মিটার দীর্ঘ একটি নতুন আরসিসি গার্ডার সেতু নির্মাণের টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।
ঠিকানা : চাঁদপুর বুলেটিন, সম্পাদকীয় কার্যালয়: পৌর মার্কেট (দ্বিতীয় তলা), হাজী মহসিন রোড, নতুন বাজার, চাঁদপুর সদর, চাঁদপুর (পূবালী ব্যাংকের সামনে)।
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : chandpurbulletin@gmail.com
সম্পাদক ও প্রকাশক: আলআমিন ভূঁইয়া