মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরঃ রাজনীতির জীবন্ত কিংবদন্তি
১১ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:২৪ অপরাহ্ন

  

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরঃ রাজনীতির জীবন্ত কিংবদন্তি

অনলাইন ডেস্ক
১১-০৮-২০২৬ ১২:৫৫ অপরাহ্ন
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরঃ রাজনীতির জীবন্ত কিংবদন্তি
বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এমন কিছু ব্যক্তিত্ব আছেন, যাঁরা দল-মত-নির্বিশেষে সমাদৃত হন। তাঁদের মধ্যে অন্যতম মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। যাঁকে সাধারণ রাজনৈতিক সচেতন মানুষ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ‘পলিটিক্যাল জেন্টলম্যান’ আখ্যায় ভূষিত করেছেন, যিনি জীবন্ত কিংবদন্তি এবং যাঁর অবস্থান বাংলাদেশের রাজনীতিতে অদ্বিতীয়।

রাজনীতিতে সাধারণত বিতর্ক, আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ আর তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার রেশ থাকেই। কিন্তু মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই ধারণাকে পাল্টে দিয়েছেন। তাঁর রাজনৈতিক জীবনজুড়ে আমরা দেখি এক বিরল সংযম।

কখনো তিনি ব্যক্তিগত বিদ্বেষকে প্রশ্রয় দেননি। কখনো কটাক্ষ বা অশোভন ভাষা ব্যবহার করেননি। এমনকি যখন তাঁকে বারবার গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যখন তাঁর বিরুদ্ধে শতাধিক মামলা করা হয়েছে, তখনো তিনি রাজনৈতিক সৌজন্যতা বজায় রেখেছেন।

তিনি নিজেও এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘রাজনীতি সংগ্রামের নাম, কিন্তু তা হতে হবে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ।

’ তাঁর মধ্যে আমরা দেখতে পাই একজন ভদ্রলোকের আভিজাত্য, যা বিরোধী রাজনীতিতেও এক বিস্ময়কর দৃষ্টান্ত।

‘কিংবদন্তি’ শব্দটি যাঁর জন্য প্রযোজ্য, তাঁর রাজনৈতিক জীবন হতে হয় দীর্ঘ, সততা, সংগ্রামী ও আদর্শে প্রভাবশালী। মির্জা ফখরুলের রাজনৈতিক পথচলা শুরু ১৯৬০-এর দশকে, যখন তিনি ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয় হন। ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান, মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী রাজনীতি, এরশাদবিরোধী আন্দোলন, খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপির উত্থান-পতন—প্রতিটি ঐতিহাসিক মোড়েই তিনি উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ করে ২০১১ সালের পর থেকে যখন বিএনপি তার ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন সময় পার করেছে, তখন তিনি দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এবং পরে মহাসচিব হিসেবে দলকে টিকিয়ে রেখেছেন।

শত প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি দলত্যাগ করেননি, নৈতিকতা নিয়ে কখনো প্রশ্নের মুখে পড়েননি—এটিই তাঁকে কিংবদন্তি মর্যাদা দিয়েছে। তাঁর রাজনৈতিক স্থিতিস্থাপকতা এবং অধ্যবসায় তরুণ রাজনীতিকদের জন্য এক অনন্য পাঠশালা।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে অনেক নেতা এসেছেন, গেছেন, কিন্তু মির্জা ফখরুলকে অনন্য করে তুলেছে তাঁর বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব ও পথচলা। তিনি অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক ছিলেন, বিসিএস ক্যাডার হিসেবে সরকারি চাকরি করেছেন, ইউনেসকো জাতীয় কমিশনে কাজ করেছেন। এরপর চাকরি থেকে পদত্যাগ করে পূর্ণকালীন রাজনীতিতে যোগ দিয়েছেন।

ঠাকুরগাঁওয়ের মতো সীমান্তবর্তী একটি জেলা থেকে উঠে এসে তিনি হয়ে উঠেছেন জাতীয় রাজনীতির মহাসচিব। পরিবারে তাঁর বাবা, চাচা, ভাই—সবাই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত, কিন্তু তিনি কারো ছায়ায় থাকেননি, বরং নিজের যোগ্যতা, মেধা ও দীর্ঘ সংগ্রামের মাধ্যমে নিজের আসন তৈরি করেছেন। এটিই তাঁকে অন্যদের থেকে স্বতন্ত্র ও অদ্বিতীয় করেছে।

মির্জা ফখরুল বাংলাদেশের বিরোধী রাজনীতির এক জীবন্ত প্রতীক। দেড় যুগ ধরে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বারবার গ্রেপ্তার হয়েছেন, মামলার মুখোমুখি হয়েছেন, কিন্তু কখনো নতি স্বীকার করেননি। তিনি যখন সংসদের বাইরে ছিলেন, তখনো রাজনৈতিক সংকটে তাঁর কণ্ঠস্বর ছিল প্রাসঙ্গিক।

আবার ২০২৬ সালে তিনি যখন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন, তখন প্রমাণিত হয় তিনি শুধু বিরোধী রাজনীতির নয়, বরং জাতীয় রাজনীতিরই একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। তাঁর এই উত্থান-পতনের গল্প বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দলিল।

সম্প্রতি চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ এবং এক-চীন নীতিতে দৃঢ় সমর্থন জানানো তাঁর কূটনৈতিক প্রজ্ঞার পরিচয় দেয়। তিনি ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়েও স্পষ্ট অবস্থান জানিয়েছেন, বিএনপি ভারতবিরোধী নয়—এই বক্তব্য তাঁর রাজনৈতিক পরিপক্বতা তুলে ধরে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তিনি বাংলাদেশের রাজনীতির এক ভদ্র ও কৌশলী মুখপাত্র হিসেবে স্বীকৃত। তাঁর ভদ্রতা, নীতিনিষ্ঠা, দীর্ঘ সংগ্রাম ও ব্যতিক্রমী নেতৃত্ব তাঁকে বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র করে রেখেছে। আগামী দিনেও বাংলাদেশের রাজনীতি যখন সংকটময় হবে, তখন নতুন প্রজন্ম হয়তো ফিরে তাকাবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দিকে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁও জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা মির্জা রুহুল আমিন ও মা মির্জা ফাতেমা আমিন। শিক্ষাজীবনে তিনি ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৭২ সালে বিসিএস (শিক্ষা ক্যাডার) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ঢাকা কলেজে অর্থনীতি বিভাগে শিক্ষকতা পেশায় যোগদান করেন এবং পরবর্তী সময়ে বেশ কয়েকটি সরকারি কলেজে অধ্যাপনা করেন। এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশ সরকারের পরিদর্শন ও আয়-ব্যয় পরীক্ষণ অধিদপ্তরে নিরীক্ষক হিসেবে এবং ১৯৭৯ সালে জিয়াউর রহমানের শাসনামলে তৎকালীন উপপ্রধানমন্ত্রী এস এ বারীর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৮২ সালে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ক্ষমতায় আসার পর বারী পদত্যাগ করলে তিনি আবার শিক্ষকতায় ফিরে যান এবং ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজে অর্থনীতির অধ্যাপক হিসেবে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত কর্মরত ছিলেন।

রাজনীতিতে তাঁর পদচারণ শুরু হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররাজনীতির মাধ্যমে। তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের (অধুনা বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন) সদস্য ছিলেন এবং সংগঠনটির এসএম হল শাখার সাধারণ সম্পাদক ও ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৮৬ সালে তিনি শিক্ষকতা থেকে পদত্যাগ করে সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেন এবং ১৯৮৮ সালে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) যোগদান করেন এবং ১৯৯২ সালে বিএনপির ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সভাপতি নির্বাচিত হন। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সহসভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।

সংসদীয় রাজনীতিতে তিনি ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে আওয়ামী লীগের কাছে পরাজিত হলেও ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একই আসন থেকে বিপুল ভোটে জয়লাভ করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্বিতীয় মন্ত্রিসভায় তিনি প্রথমে কৃষি মন্ত্রণালয়ের এবং পরবর্তীকালে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ২০০৬ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।

২০০৮ সালের নির্বাচনে তিনি পুনরায় পরাজিত হলেও ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ আসন থেকে নির্বাচিত হন। তবে পরবর্তী সময়ে শপথ না নেওয়ায় তাঁর আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়।

বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বে তাঁর উত্থান ঘটে ২০০৯ সালের ডিসেম্বরে দলের পঞ্চম জাতীয় সম্মেলনে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে। ২০১১ সালের ২০ মার্চ তৎকালীন মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের মৃত্যুর পর দলীয় চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তাঁকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ঘোষণা করলে প্রাথমিকভাবে কিছু নেতা গঠনতন্ত্রগত জটিলতা উত্থাপন করলেও তা দ্রুত নিরসন হয়।

২০১৬ সালের ১৯ মার্চ দলের ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলনে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মহাসচিব নির্বাচিত হন। বিরোধী দলের মুখপাত্র হিসেবে তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালসহ বিভিন্ন ইস্যুতে আওয়ামী লীগ সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন এবং দেশব্যাপী বিএনপির আন্দোলন কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন।

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি রাহাত আরা বেগমের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এবং এই দম্পতির দুই কন্যা—মির্জা শামারুহ ও মির্জা সাফারুহ। শামারুহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন এবং বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় পোস্ট-ডক্টরাল ফেলো হিসেবে কর্মরত, অন্যদিকে সাফারুহ ঢাকার একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন। মির্জা ফখরুলের বাবা মির্জা রুহুল আমিন ছিলেন একজন আইনজীবী ও বিএনপির রাজনীতিবিদ, যিনি একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তাঁর চাচা মির্জা গোলাম হাফিজ ছিলেন বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতা, সাবেক মন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের স্পিকার। অপর চাচা উইং কমান্ডার এস আর মির্জা মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালে প্রবাসী মুজিবনগর সরকারের অধীনে ডাইরেক্টরেট অব ইয়ুথ ক্যাম্পের পরিচালক হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দলীয় ও সরকারি সূত্রের আলোচনায় জানা গেছে, তিনি আগামী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হতে চলেছেন। বিএনপির উচ্চ পর্যায়ের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর মনোনয়ন চূড়ান্ত করেছেন এবং মির্জা ফখরুল এরই মধ্যে প্রার্থিতা গ্রহণের সম্মতিসূচক বিবৃতিতে সই করেছেন।

রাষ্ট্রপতি পদ শূন্য হওয়ার পর থেকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন এবং সংবিধান অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিধান রয়েছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় সংসদ সদস্যের প্রস্তাব ও সমর্থনের পাশাপাশি প্রার্থীকে তাঁর সম্মতিসূচক স্বাক্ষরযুক্ত ঘোষণা জমা দিতে হয়, যা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এরই মধ্যে সম্পন্ন করেছেন।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তফসিল অনুযায়ী, ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি পদে ভোটগ্রহণ হবে এবং ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন। তবে বিএনপি ইসি থেকে দুটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। তবে ইসি সূত্র জানায়, একই প্রার্থীর নামে একাধিক মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যায় এবং যেকোনো একটি বৈধ হলেই তিনি প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হন, যা আগে সদ্যোবিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য ছিল।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রাষ্ট্রপতি হওয়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হবে। কারণ তিনি একাধারে একজন নীতিনিষ্ঠ, ভদ্র ও সংগ্রামী রাজনীতিক হিসেবে পরিচিত, যিনি ‘পলিটিক্যাল জেন্টলম্যান’ নামেও খ্যাত—সর্বজন স্বীকৃত ও শ্রদ্ধেয়।


অনলাইন ডেস্ক ১১-০৮-২০২৬ ১২:৫৫ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে
এবং 12 বার দেখা হয়েছে।

পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ
Loading...
  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ প্রকাশিত

  ঠিকানা :   চাঁদপুর বুলেটিন, সম্পাদকীয় কার্যালয়: পৌর মার্কেট (দ্বিতীয় তলা), হাজী মহসিন রোড, নতুন বাজার, চাঁদপুর সদর, চাঁদপুর (পূবালী ব্যাংকের সামনে)।
  মোবাইল :   ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
  ইমেল :   chandpurbulletin@gmail.com

সম্পাদক ও প্রকাশক: আলআমিন ভূঁইয়া