উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, আমরা যেন সাক্ষরতা বলতে শুধু স্বাক্ষর করাকে না বুঝি, এই কনসেপ্টটা আমাদের সবার মাঝে ভালো করে থাকার দরকার। সাক্ষরতার প্রকৃত অর্থ হলো একজন মানুষকে পড়তে, লিখতে ও প্রয়োজনীয় বিষয় বুঝতে সক্ষম করে তোলা। শিক্ষা ও সাক্ষরতার মাধ্যমে মানুষের সচেতনতা বাড়ে, নিজের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে জানতে পারে এবং সমাজ ও দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে। তাই সমাজকে আলোকিত ও নিরক্ষরতা দূরীকরণে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি)- নাজমুন নাহার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল)- খাইরুল কবীর, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা- এস এম এন জামিউল হিকমা, জেলা শিক্ষা অফিসার- মোহাম্মদ রুহুল্লাহ।
সভায় সভাপতিত্ব ও শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, জেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো, সহকারী পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মুহাম্মদ মোছাদ্দেক হোসেন।
সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার- মো. হাবীবুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি- শাহাদাত হোসেন শান্ত, আক্কাস আলী রেলওয়ে একাডেমির প্রধান শিক্ষক- মোঃ গোফরান হোসেন, হিন্দুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক- আবুল হাসেম।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং একটি শিক্ষিত ও সমৃদ্ধ সমাজ গঠনে সাক্ষরতার গুরুত্ব অপরিসীম। নিরক্ষরতা দূরীকরণ ও সবার জন্য শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত ভূমিকা প্রয়োজন।
দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত র্যালি ও আলোচনা সভায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
চাঁদপুর বুলেটিন ডেস্ক