শিরোনামঃ
কাউসার খান, বিশেষ প্রতিনিধি ১৯-১০-২০২৬ ০৭:৩০ অপরাহ্ন |
সম্প্রতি খায়রুন নাহার নামের ওই নারী তার নতুন ধর্মান্তরিত ছেলেকে নিয়ে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে সুন্নতে খতনা করাতে আসেন। এ সময় তাদের সামাজিক ও আর্থিক সহায়তায় এগিয়ে আসেন মাসুদ বেপারী নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি।
জানা গেছে, ইসলাম গ্রহণের আগে ওই নারীর নাম ছিলো সুমি সরকার এবং তার ছেলের নাম ছিলো রবিন সরকার। ধর্মান্তরের পর এফিডেভিটের (হলফনামা) মাধ্যমে মায়ের নাম রাখা হয়েছে খায়রুন নাহার এবং ছেলের নাম আব্দুল্লাহ।
খায়রুন নাহার জানান, আগে তারা পরিবারের সঙ্গে ঢাকার ডেমরা এলাকায় বসবাস করতেন। তাদের স্থায়ী ঠিকানা মতলব দক্ষিণ উপজেলার খাদেরগাঁও গ্রামের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে। বর্তমানে স্বামী থেকে আলাদা হয়ে তিনি সন্তানকে নিয়ে চাঁদপুরে বসবাস করছেন।
নিজের অনুভূতির কথা প্রকাশ করে খায়রুন নাহার বলেন, “ইসলামের আদর্শ, শৃঙ্খলা ও পবিত্রতার প্রতি গভীর ভালোবাসা থেকেই আমি স্বেচ্ছায় এই ধর্ম গ্রহণ করেছি। আমার ছেলেও নিজের ইচ্ছায় আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইসলাম গ্রহণ করেছে।” নতুন পরিচয়ে সন্তানকে নিয়ে স্বাভাবিক ও নিরাপদ জীবনযাপনের জন্য তিনি সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।
এদিকে নতুন জীবন শুরু করা এই মা-ছেলের পাশে দাঁড়িয়েছেন স্থানীয় সমাজসেবী মাসুদ বেপারী। তিনি আব্দুল্লাহর চিকিৎসার খরচ বহনসহ সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, “আব্দুল্লাহকে আমি নিজের ভাইয়ের মতো এবং খায়রুন নাহারকে মায়ের মতো সম্মান করি। বিপদের দিনে তাদের পাশে থাকতে পেরে আমি আনন্দিত।”
ধর্মান্তরের পর সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা, আবাসন ও আর্থিক অসচ্ছলতাজনিত নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন এই মা-ছেলে। একটি নতুন ও অনিশ্চিত সামাজিক প্রেক্ষাপটে তাদের স্বাভাবিক ও নিরাপদ জীবনযাপন নিশ্চিত করতে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও সামাজিক সহযোগিতা জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
ঠিকানা : চাঁদপুর বুলেটিন, সম্পাদকীয় কার্যালয়: পৌর মার্কেট (দ্বিতীয় তলা), হাজী মহসিন রোড, নতুন বাজার, চাঁদপুর সদর, চাঁদপুর (পূবালী ব্যাংকের সামনে)।
মোবাইল : ০১৭৭৯-১১৭৭৪৪
ইমেল : chandpurbulletin@gmail.com
সম্পাদক ও প্রকাশক: আলআমিন ভূঁইয়া